অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়মঃ
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়ম এখন অনেক সহজ, কিন্তু
বেশিরভাগ মানুষই সঠিক ধাপগুলো জানেন না। ঘরে বসেই কয়েক মিনিটে আবেদন,ভেরিফিকেশন
ও PDF সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার পুরো প্রক্রিয়া এখানে সহজভাবে দেখানো হয়েছে।
ভুল তথ্যের কারণে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই জেনে নিন দরকারি
টিপস ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো। নতুনদের জন্যও আর্টিকেলটি একদম সহজ ভাষায় লেখা,
যাতে কোনো ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত কাজ শেষ করতে পারেন।
পেজ সূচিপত্রঃ অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়ম
- অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়ম
- টিন সার্টিফিকেট আসলে কী এবং কেন এটি দরকার হয়
- টিন সার্টিফিকেট তৈরির আগে যা যা প্রস্তুত রাখতে হবে
- অনলাইনে নতুন টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশনের ধাপসমূহ
- মোবাইল ফোন দিয়ে ঘরে বসে টিন সার্টিফিকেট তৈরির সহজ উপায়
- টিন নম্বর দিয়ে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার সঠিক নিয়ম
- টিন সার্টিফিকেট তৈরিতে সাধারণ ভুল ও তার সমাধান
- ব্যবসায়ীদের জন্য কোম্পানির টিন সার্টিফিকেট অনলাইনে করার নিয়ম
- টিন সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কীভাবে আবার পাবেন
- শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়ম
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়মটি মোটামুটি সোজা। সরকারি
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করলেই কাজ হয়ে যায়। ২০২৬
সালে নিয়ম কিছুটা কঠোর হয়েছে। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে লিঙ্ক করা মোবাইল
নম্বরটি অবশ্যই লাগবে। যেকোনো সিম দিয়ে আর চলবে না।
প্রথমে যে কোন ব্রাউজার থেকে
secure.incometax.gov.bd
সাইটে প্রবেশ করুন।
এরপর নিচের ইমেজ এর মত "রেজিস্টার" এ ক্লিক করুন।
এর পর আপনার পছন্দের যে কোন ইউজার আইডি দিন অ্যালফাবেট ও নাম্বার দিয়ে বানান যেন
মনে রাখতে পারেন। এবং অন্য কথাও তা লিখে সেভ করে রাখুন। ফর্মটি নির্ভুল ভাবে
ফিলাপ করুন ও আপনার সচল মোবাইল নম্বর দিন।
এবার নিচের ইমেজ এর মত "Verification Latter" এ ইমেজ অনুযায়ী টাইপ করে লিখুন। ও
"Register" এ
ক্লিক করুন
তারপর আপনার লোকেশন দিয়ে "Go To Next" এ ক্লিক করুন।
তারপর আপনার সামনে আপনার সম্পুর্ন তথ্য দেখা যাবে সব ঠিক আছে কিনা তা ভালো করে
দেখে নিবেন ও "Submit Aplication" ক্লিক করবেন।
তারপর স্ক্রিনে আয়কর আইন ২০২৩ এর একটি বার্তা আসবে সেটি পড়ে নিয়ে "Agree & Continue" তে
ক্লিক করবেন।
তারপর নিচের মত "Save Certificate" এ ক্লিক করলেই
আপনার সার্টিফিকেট ডাউনলোড হয়ে যাবে।
এবার আপনার রেজিস্টারেড মোবাইল নাম্বারে একটা ই-টিন অ্যাক্টিভিশন কোড যাবে
সেটা দেখে অ্যাক্টিভিশন কোডের ঘরে লিখুন ও "Activate" বাটনে ক্লিক করুন।
এরপর আপনার সামনে নিচের মত লগিন পেজ চলে আসবে। এখানে ইউজার আইডি ও
পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।
এরপর ই-টিন এর ড্যাসবোর্ডে আসার পর বামের টিন আপ্লিকেশন এ ক্লিক করুন।
এরপর রেজিস্ট্রেশন পেজ এ আসার পর কি কারণে টিন করছেন, জাতীয়তা, ইনকাম
ক্যাটেগরি, ইনকামের সোর্স, আপনার জেলা এসব সঠিকভাবে পূরণ করুন ও নেক্সট
চাপুন।
এবার আপনার ব্যাসিক ইনফরমেশন গুলো সেট করুন যেমনঃ নাম, লিঙ্গ, এন,আই,ডি,
জন্মসাল, ভ্যারিফিকেশন মোবাইল নাম্বার। তারপর "Verify Number" এখানে ক্লিক
করুন।
এরপর স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এসব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন। ও "Go To Next"
চাপুন।
টিন সার্টিফিকেট আসলে কী এবং কেন এটি দরকার হয়
টিন সার্টিফিকেট মূলত Taxpayer Identification Number বা সংক্ষেপে TIN-এর
পূর্ণাঙ্গ রূপ, যাকে সহজ কথায় বলা যায় আপনার ট্যাক্স দেওয়ার সরকারি পরিচয়পত্র।
বাংলাদেশে যারা কোনো ধরনের আয় করেন বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালান, তাদের জন্য এটি
এখন অত্যন্ত জরুরি একটা ডকুমেন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগের দিনে হয়তো অনেকেই এর
গুরুত্ব বুঝতেন না, কিন্তু বর্তমানে ব্যাংক লোন নেওয়া, বিদেশ ভ্রমণ, ব্যবসা
শুরু করা, চাকরির আবেদনসহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কাজে টিন সার্টিফিকেট লাগে।
এটি না থাকলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাজ আটকে যায় এবং জরিমানাও হতে পারে।
আমার এক পরিচিত বন্ধু ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে টিন না থাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
খুলতেই পারেনি, আর সেটা নিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়েছিল। তাই এখন সচেতন মানুষেরা ঘরে
বসে অনলাইনেই সহজে টিন সার্টিফিকেট তৈরি করে নিচ্ছেন, যাতে পরে কোনো অপ্রয়োজনীয়
সমস্যায় না পড়তে হয়।
টিন সার্টিফিকেট তৈরির আগে যা যা প্রস্তুত রাখতে হবে
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়ম শুরু করার আগে কয়েকটা জরুরি
তথ্য আর ডকুমেন্ট আগে থেকে প্রস্তুত করে রাখলে অনেক ঝামেলা বাঁচানো যায়। কারণ
সাইটে ঢুকে ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে হঠাৎ কোনো কিছুর অভাব হলে আবেদন আটকে যায়, আবার
পুরো প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু করতে হয়। আপনার ১২ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের
নম্বর, সেই NID-এর সঙ্গে লিঙ্ক করা সক্রিয় মোবাইল নম্বর (২০২৬ সালে এটা
পুরোপুরি বাধ্যতামূলক), আপনার পুরো নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, জন্মতারিখ সব
ইংরেজিতে সঠিকভাবে লেখার জন্য তৈরি রাখুন।
এছাড়া আপনার আয়ের প্রধান উৎস কী-বেতন, ব্যবসা, ফ্রিল্যান্সিং নাকি অন্য
কিছু-সেটা স্পষ্ট করে লিখতে হবে, তাই সেই তথ্যও হাতের কাছে রাখুন। একটা
ব্যবহারযোগ্য ইমেইল আইডি আর ক্যাপচা কোড সঠিকভাবে পূরণ করার জন্য মনোযোগ দরকার।
আমি দেখেছি অনেকে তাড়াহুড়োয় মোবাইল নম্বর ভুল দিয়ে বা NID-এর সঙ্গে মিল না
খাইয়ে আবেদন করতে গিয়ে বারবার রিজেক্ট হয়ে যান। তাই সবকিছু দু’বার ভালো করে চেক
করে নিলে একবারেই সহজে টিন সার্টিফিকেট তৈরি করে ফেলা যায়।
অনলাইনে নতুন টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশনের ধাপসমূহ
অনলাইনে নতুন টিন সার্টিফিকেট তৈরির প্রক্রিয়াটি আসলে খুব একটা জটিল নয়, যদি
আপনি ধাপগুলো সঠিক ক্রমে অনুসরণ করেন। অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড
করার নিয়ম অনুসরণ করে প্রথমেই আপনাকে
secure.incometax.gov.bd
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে এবং সেখান থেকে রেজিস্টার অপশনে ক্লিক করে একটি নতুন
অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সেট করার পর আপনার জাতীয়
পরিচয়পত্রের নম্বর এবং NID-এর সঙ্গে লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বর দিয়ে ভেরিফিকেশন
সম্পন্ন করুন। মোবাইলে আসা OTP কোডটি সঠিকভাবে দিলে আপনার অ্যাকাউন্ট সক্রিয়
হয়ে যাবে।
এরপর লগইন করে টিন আবেদন ফর্মে গিয়ে আপনার পুরো নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা,
জন্মতারিখ এবং আয়ের প্রধান উৎসসহ সব প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন। ফর্ম
সাবমিট করার পর সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ১২ ডিজিটের টিন নম্বর জেনারেট করে
দেবে এবং আপনি তৎক্ষণাৎ PDF আকারে টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারবেন। পুরো
প্রক্রিয়াটি সাধারণত ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়, তবে তথ্যে সামান্য ভুল
থাকলেও আবেদন রিজেক্ট হতে পারে বলে সবকিছু দু’বার চেক করে নেওয়া উচিত।
মোবাইল ফোন দিয়ে ঘরে বসে টিন সার্টিফিকেট তৈরির সহজ উপায়
আসলে আপনি চাইলে পুরো টিন সার্টিফিকেট তৈরির কাজটি শুধুমাত্র আপনার মোবাইল ফোন
দিয়েই খুব সহজে ঘরে বসে সম্পন্ন করতে পারবেন। আমি নিজেও প্রথমবার মোবাইল দিয়েই
এই কাজটা করেছিলাম এবং দেখেছি যে এটা আদৌ কোনো জটিল বিষয় নয়। ক্রোম ব্রাউজার
খুলে
secure.incometax.gov.bd
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন, তারপর উপরের ডানদিকের তিন ডট মেনু থেকে “Desktop site”
অপশনটি সিলেক্ট করে নিন।
এতে সাইটটা অনেক বড় এবং সুবিধাজনক দেখাবে। এরপর NID নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন
প্রক্রিয়া শুরু করুন, মোবাইলে আসা OTP দিন, প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে সাবমিট
করুন। ভালো ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র তিন থেকে চার মিনিটের
মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। স্ক্রিন ছোট হলেও ধাপগুলো একদম সহজ এবং পরিষ্কার।
টিন নম্বর দিয়ে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার সঠিক নিয়ম
টিন নম্বর দিয়ে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার সঠিক নিয়মটা আসলে খুব সহজ, যদি আপনার
আগে থেকেই টিন নম্বর থাকে কিন্তু সার্টিফিকেটটা হারিয়ে গেছে বা কোনোভাবে নষ্ট
হয়ে গেছে। তাহলে আপনাকে নতুন করে কোনো আবেদন করতে হবে না, শুধু etaxnbr.gov.bd
ওয়েবসাইটে গিয়ে eReturn অপশনে লগইন করুন। আপনার টিন নম্বর আর পাসওয়ার্ড দিয়ে
লগইন করার পর Tax Record সেকশনে চলে যান, সেখান থেকে TIN Certificate লিংকে
ক্লিক করলেই সরাসরি PDF ফাইলটা ডাউনলোড হয়ে যাবে।
আমি দেখেছি অনেকে এই সহজ ধাপটা না জেনে আবার নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে
সময় নষ্ট করেন, কিন্তু আসলে এভাবে মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই পুরনো সার্টিফিকেটটা
আবার পেয়ে যাওয়া যায়। শুধু লগইন তথ্যগুলো ঠিকমতো মনে রাখলেই কোনো ঝামেলা হয় না।
টিন সার্টিফিকেট তৈরিতে সাধারণ ভুল ও তার সমাধান
অনেকেই অনলাইন এ টিন সার্টিফিকেট তৈরি করতে গিয়ে ছোট ছোট ভুল করে ফেলেন, যার
কারণে তাদের আবেদন রিজেক্ট হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি যে ভুলগুলো হয় সেগুলো হলো
মোবাইল নম্বর ভুল দেওয়া বা NID-এর সঙ্গে লিঙ্ক করা নম্বরের সাথে মিল না করা,
ক্যাপচা কোড সঠিকভাবে না লেখা, নাম-ঠিকানা ইংরেজিতে ভুল স্পেলিং করা এবং আয়ের
উৎস সঠিকভাবে নির্বাচন না করা। তাড়াহুড়োয় ফর্ম পূরণ করলে এ ধরনের ভুল বেশি ঘটে।
এসব ভুল এড়ানোর জন্য প্রতিটি তথ্য অন্তত দু’বার ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া
উচিত।
বিশেষ করে NID নম্বর এবং মোবাইল নম্বর সঠিক আছে কি না নিশ্চিত হয়ে নিন। অনলাইনে
টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করলে একবারেই
সফলভাবে টিন সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন। তারপরও যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে সাইটের
হেল্প অপশন দেখুন বা NBR-এর হটলাইনে ফোন করে সাহায্য নিন।
ব্যবসায়ীদের জন্য কোম্পানির টিন সার্টিফিকেট অনলাইনে করার নিয়ম
ব্যবসায়ীদের জন্য কোম্পানির টিন সার্টিফিকেট অনলাইনে করার নিয়ম ব্যক্তিগত টিন
তৈরির থেকে কিছুটা আলাদা। যারা কোম্পানি বা ফার্মের নামে টিন করাতে চান, তাদের
সাইটে ঢুকে ট্যাক্সপেয়ার স্ট্যাটাস হিসেবে "Company" বা "Firm" সিলেক্ট করতে
হয়। এজন্য ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট, মালিকের NID,
ব্যবসার ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা উচিত।
তাহলে প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়ে যায়। প্রক্রিয়াটি শুরু করলে কোম্পানির পুরো
নাম, ব্যবসার ধরন, অফিসের ঠিকানা এবং মালিকের বিস্তারিত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ
করুন। যদি কোম্পানির মালিকের আগে থেকে ব্যক্তিগত টিন নম্বর থাকে তাহলে সেটিও
দিতে হবে।
ফর্ম সাবমিট করার পর সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোম্পানির টিন নম্বর জেনারেট করে
দেয়। অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি ও ডাউনলোড করার নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চললে
খুব সহজেই কোম্পানির টিন সার্টিফিকেট তৈরি করে ডাউনলোড করা যায়। এরপর
সার্টিফিকেটটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট নিয়ে নিরাপদ জায়গায় রেখে দিন।
টিন সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কীভাবে আবার পাবেন
টিন সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে বা কোনোভাবে নষ্ট হয়ে গেলে চিন্তা করার কোনো কারণ
নেই।আপনাকে নতুন করে আবেদন করতে হবে না, খুব সহজেই আবার ডাউনলোড করে নিতে
পারবেন। শুধুমাত্র etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে eReturn অপশনে ক্লিক করুন,
আপনার টিন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। লগইন করার পর Tax Record সেকশনে
চলে যান, সেখান থেকে TIN Certificate অপশনে ক্লিক করলেই আপনার সার্টিফিকেটটি
দেখাবে।
Download বাটনে চাপ দিলে PDF ফাইল হিসেবে সাথে সাথে ডাউনলোড হয়ে যাবে। আমি
অনেককে এভাবে মাত্র এক-দুই মিনিটের মধ্যে হারানো সার্টিফিকেট বের করে নিতে
দেখেছি। তবে লগইনের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড যেন ভুলে না যান, সেটা নিরাপদ
জায়গায় সেভ করে রাখা ভালো।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
দেখুন, পুরো প্রক্রিয়াটি আসলে খুব সহজ এবং সময়সাশ্রয়ী। আমি চেষ্টা করেছি ধাপে
ধাপে সবকিছু এমনভাবে লিখতে যাতে আপনাদের কোনো অসুবিধা না হয়। একবার টিন
সার্টিফিকেট তৈরি করে নিলে পরে আর কোনো ঝামেলা থাকে না। আপনারা সবাই ঘরে বসে
অনলাইনে এটি করে নিন, কারণ ট্যাক্স দেওয়া শুধু ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয়, দেশের
উন্নয়নেও সাহায্য করে। কোনো ধাপে আটকে গেলে কমেন্ট করে জানাবেন, সাধ্যমতো সাহায্য
করব। সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন। এমন আরো তথ্যমূলক কন্টেন্ট পেতে মনে রেখো
পেজকে ফলো দিয়ে রাখুন, ধন্যবাদ।


















মনে রেখো ব্লগের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url